গতকাল থেকে হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে ঘেরে মাছ ও চিংড়ি খাবি খাচ্ছে। সাধারণত আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে কখনো বা পুকুরের তলায় গ্যাস সৃষ্টি হয়ে বা পুকুরের তলদেশে খাদ্য উচ্ছিষ্ট পচে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে বাগেরহাট অঞ্চলে একই সাথে একাধিক ঘেরে এমন অবস্থা সৃষ্টি হওয়ার জন্য মুলত ঘেরে অক্সিজেন সংকটই দায়ী মনে করা হচ্ছে। এজন্য সকল মাছ ও চিংড়িচাষীদের ইতিমধ্যে ঘেরে ব্যবস্থাপনার করণীয় বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল। বর্তমানে সৃষ্ঠ পরিস্থিতিতে চাষীদেরকে অবশ্যই বৃষ্টির পরে ঘেরে ডলোমাইট/ইকোম্যাক্স দিতে হবে শতকে ১০০ গ্রাম হারে। যদি কোন কারণে মাছ/চিংড়ি ভাসে বা খাবি খায় তাহলে জিওপণ্ড ফ্রেশ, জেভি জিওলাইট/টপ জিওলাইট/ম্যাক্সিলাইট-পি ইত্যাদি এর যে কোন একটি শতকে ১০০-২০০গ্রাম হারে এবং গ্যাসোনেক্স প্লাস ওয়াই/গ্যাসোনিল শতকে ৫গ্রামি হারে একত্রে মিশিয়ে ঘেরে ছিটাতে হবে। সাথে শতক প্রতি ৫-৭টি অক্সিজেন ট্যাবলেট প্রয়োগ করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে আশা করি। ঘেরে এমন পরিস্থিতি হলে বর্ণিত করণীয়সহ ঘেরের পানি পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়, মোল্লাহাট, বাগেরহাট থেকে আপনার প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহন করুন।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস