Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
আকষ্মিক চিংড়ির মৃত্যুরোধ
বিস্তারিত

গত ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত ভোররাতে আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট, ফকিরহাট এবং চিতলমারি উপজেলার ঘেরে চিংড়ি মারা যায়। বিষয়টি মাঠ পর্যায়ে চাষীদের বক্তব্য ও সরেজমিনে চিংড়ি খামার পরিদর্শন এবং খামারের মাটি ও পানি পরীক্ষা কের দেখা যায় যে, দিনে অত্যাধিক তাপমাত্রা এবং রাত্রে হঠাৎ বৃষ্টির ফলে পানির গুনগত মান (pH ও O2 ) পরিবর্তনের ফলে চিংড়ির উপর পীড়ন সৃষ্টি হয় এবং ফলে চিংড়ি মারা যায়। ঘেরের পানি পরীক্ষা করে দেখা যায় যে, সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় পানির pH এর মান ৬.২৫-৭.০ যা খুবই কম এবং এটা অক্সিজেন সংকট নির্দেশ করে। তাছাড়া চিংড়ি ঘেরগুলোর তলায় কালো কাঁদা থাকায় এ সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করে। এমতাবস্থায় আগামীতে আবহাওয়ার পরিবর্তনজনিত কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় এখনই চাষীদেরকে সচেতন হওয়া জরুরী। প্রত্যেক চিংড়ি চাষী বিশেষ করে গলদা চিংড়ি চাষীদের জন্য তাদের ঘেরের আয়তন অনুযায়ী একডোজ ঔষধ সংরক্ষণ করা জরুরী। কারণ সাধারণত ভোররাতে অক্সিজেন সংকট তৈরী হয় এবং সকাল হওয়ার আগেই চিংড়ি মারা যায়, এসময় চাষীর করণীয় কিছু থাকে না। সেজন্য এ সংকটকে মোকাবেলার জন্য শতক প্রতি ১০০-২০০ গ্রাম হারে জিওলাইট জাতীয় ঔষধ যেমন- ম্যাক্সিলাইট-পি, জিওপণ্ড ফ্রেশ. আল্ট্রাম্যাক্স, টপজিওলাইট, জেভি জিওলাইট ইত্যাদি এবং গ্যসোনেক্স প্লাস ওয়াই/গ্যাসোনিল শতক প্রতি ৫ গ্রাম হারে সংরক্ষণ করতে হবে। ভোর রাতে বা যে কোনন সময় চিংড়ি ভাসলে বা কুলে আসলে এই দুটো ঔষধ একত্রে মিশিয়ে গেরে ছিটিয়ে দিতে হবে। যদি অক্সিজেন সংকট তীব্র হয় তবে এর সাথে শতক প্রতি ৫-৭টি অক্সিজেন ট্যাবলেট ছিটিয়ে দিতে হবে। এরপরে ঘেরের পানি ও মাটি পরীক্ষা করে স্থায়ী সমাধান নিতে হবে। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়, মোল্লাহাট, বাগেরহাট-এ বিনামূল্যে মাটি ও পানি পরীক্ষা করে পরামর্শ প্রদান করা হয়। অযথা যে কোন ঔষধ ব্যবহার করে চিংড়িকে অনিরাপদ করা যাবে না।

ডাউনলোড
ছবি
প্রকাশের তারিখ
23/09/2019
আর্কাইভ তারিখ
30/06/2020